2012 র পুজো আর আমার জীবন…

২০১২ র পুজো আমার লাইফে অনেক কিছু এনে দিয়েছে, আমায় নিজেকে নতুন করে চিনতে, নিজেকে নিয়ে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে দুর্গা পুজো’১২।

নিজেকে মাঝে হারিয়ে ফেলেছিলাম আমি, বোঝার  পালাটা এল পুজোর ঠিক পরে পরেই, এতদিন পর্যন্ত আমার খুব সুন্দর একটা বন্ধু আমায় এতটা ভালবেসে ফেলেছিলো আমি স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারিনি, যখন আমায় কেউ বিশ্বাস করত না সেদিনও ও আমায় বিশ্বাস করার সাহস দেখিয়েছিল, সেই বিশ্বাসের মর্যাদা তো আমায় রাখতেই হত… নবমীর দিন আমিও ভালোবেসে ফেলেছিলাম ওকে, আজ আমরা এক সাথে, ধন্যবাদ দুর্গা পুজো’১২।

আমার আর তায়েবার ভালোবাসার শুরু এই সময়েই, পুজো না থাকলে আমরা কনোদিনও  একে অপরকে ঠিক মতো চিনতেও পারতাম না। দুর্গা পুজো’১২ আমার কাছে আমার ভালবাসা, আপনাদের কাছে আমার ভালোবাসা এও একটা মেসেজ যে পুজো কোনো সম্প্রদায়ের না, বাংলা তথা বাঙালীর জাতীয় উৎসব এটা… যেখানে খেলার ছলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আনন্দ, ফুর্তি আর ভালবাসার সাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে ওঠে, সেই জন্যই হয়ত প্রতি বছর আমরা এতটা আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পুজো আসার অপেক্ষা করি।

Posted in Uncategorized | Leave a comment

দশমী, বিদায়…

আনন্দ উৎসবের শেষ হবেনা… তাও আজ বলতে খারাপ লাগে “আসছে বছর আবার হবে” জন সমুদ্রে হারিয়ে যাওয়া কয়েকটি মুহুরতের চিত্র…

Posted in Uncategorized | Leave a comment

নবমী সন্ধ্যা , হারিয়ে যাওয়া সুনীল …

নবমী সন্ধ্যায় কোন্নগরের রাস্তায় ঢল নেমেছিল মানুষের। প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে মানুষের ভিড় ছিল দেখার মত… আইসক্রিম, এগরোল, ফুচকা আর ঘুগনির ভিড় ঠেলে, রিক্সা আর অটোর হর্নে নাস্তানাবুদ হয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলাম, বন্ধু বান্ধবীদের সাথে… চারদিনের সব আনন্দ শেষ হয়ে যাওয়ার চিন্তায় মনটা খারাপ হয়ে আসছিল। বাড়িতে এসে শুনলাম মারা গেছেন সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধায়, মনটা খারাপ হয়ে গেলো, গলটায় কিছু যেন আটকে আসছিল। আজ নবমীর মা কে বিদায় জানাতে হবে তার দুঃখ,  সুনীল  বাবুর অকাল প্রয়ানের দুঃখ যেন একসাথে মিলে মিশে এক হয়ে গিয়েছিলো বন্ধু বান্ধবীদের সাথে ঘোরার  আনন্দের সাথে। আজই শেষ… কালই ত বলতে হবে- “আসছে বছর আবার হবে”…

Posted in Uncategorized | Leave a comment

মহা-অষ্টমীর সন্ধ্যেয়…

বেশ ভালোই ভিড় ছিল আজ, পরিচিত জায়গাগুলোতেই আবার ঢুঁ মারলাম… ভিড় এড়িয়ে কিছু ছবি তোমাদের জন্য…

Posted in Uncategorized | Tagged , , , , , , , , , , , | Leave a comment

সপ্তমীর সন্ধ্যায়…

সপ্তমীর সন্ধ্যায় মধ্য অরবিন্দ্র রোডের পুজোটা বেশ ভালো লাগল, আগের বছরের থেকে অনেক ভালো, প্রতিমাটা নজর কাড়ল। শক্তি সংঘে যথারীতি ভিড়, বৈশাখী তে লাইন দেখে অবাক হলাম। কালীতলা কলোনির মণ্ডপ সজ্জাটা ভালো। কালীতলাও মোটামুটি, খারাপ না, ১ এর পল্লী খুব সুন্দর লাগল, বিশেষ করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোর জন্য। আর বারোয়ারী তলা, জাস্ট অসম, ফাটাফাটি।

Posted in Uncategorized | Tagged , , , , | Leave a comment

দেবপাড়া, একটু সতর্ক হন…

মণ্ডপ সজ্জা, প্রতিমা, আলোর কাজ- এগুলোর কথা বাদ দিন, সবার ভালো করার ক্ষমতা নাই থাকতে পারে। কিন্তু ভদ্র ব্যবহারটা সবাই করতে পারেন। দেবপাড়ার ক্লাব সদস্যদের মধ্যে যে অভদ্র ব্যবহার, তাদের যে ভাষায় কথা বলতে দেখলাম তাতে মনে হয়না যে দেবপাড়ার সদস্যদের নুন্যতম ভদ্রতাটুকুও আছে। “অয়ন” নামে এক ক্লাব সদস্যর সবচেয়ে অসংলগ্ন ব্যবহার চোখে পড়েছে। আপনারা সতর্ক হোন, এই জিনিসগুলো একেবারে আসাই করা যায়না। আপনারা উৎসবের নাম নিয়ে তার সুযোগ নিয়ে অনেক ভুল কাজ করছেন।

Posted in Uncategorized | Tagged , , , , , , | 5 Comments

ষষ্ঠীর সন্ধায় বান্ধবীদের সাথে সফরে গিয়ে…

ষষ্ঠীর সন্ধায় বান্ধবীদের সাথে বেরিয়ে ছিলাম। “বৈশাখী” নজর কাড়ল… ছিমছামের উপর ভালো কাজ করেছে, মণ্ডপ সজ্জা খুবই সুন্দর, প্রতিমাটাও বেশ সুন্দর… তারপর অনেকগুলো ঠাকুর দেখলাম, একটাও নজর কাড়ল না… “নবারুণ সমিতি”র মণ্ডপটা ভালো… বাইরের সজ্জা আর ভিতরটার সামঞ্জস্যটা থাকলে আরও ভালো লাগত। আগের বার যে “প্রসাদী” আমার নজর কেড়েছিল এবার তা হল না। মণ্ডপ-সজ্জা আরও ভালো করা যেতে পারত। প্রতিমাটা খারাপ না। তবে “দেবপাড়া”র সমিতি সদস্যরা  হয়ত অনেক কষ্ট করে কাজটা করেছে, তবে সামগ্রিক ভাবে এটাকে ভালো বলতে বাঁধছে, আর বিসয়বস্তুটা ঠিক কি? যাই হোক, শকুন্তলা মন্দিরের পিছনের মণ্ডপটা লো-বাজেটে ভালো। সব মিলিয়ে পুজো দেখে আনন্দে বাঁধ ভাঙা হতে সমস্যা হয়নি। তবে কোন্নগরের মানুষজন, আপনারা কোথায়? আজ রাস্তায় আপনাদের দেখতে পেলাম না কেন?

তায়েবা, মুধুস্রী, পিয়ালী, মৌমিতা; তোদের কে থ্যাঙ্কস, সঙ্গে থাকার জন্য। আর স্নেহল, তোকেও ধন্যবাদ।

Posted in Uncategorized | Tagged , , , , , , , , , , , , , | Leave a comment